• রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ১১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠি এলজিইডি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে উপজেলা প্রকৌশলীদের কর্ম-সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর তুরস্ক আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে: গ্রিক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গ্রিসে মাইকোনোস দ্বীপের বাড়ির দামের শীর্ষে রয়েছে এথেন্সের আইকনিক হিলটন হোটেলের নাম পরিবর্তন করে ‘দ্য ইলিসিয়ান’ করা হয়েছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গবেষণায় আকর্ষণ বাড়াতে হবে ভোলার বোরহানউদ্দিনে ১৩ জন জুয়ারী আটক কোরআন মজিদের ৪০ আয়াতে আল্লাহ-ও রাসুলের নাম একসাথে পাশাপাশি লিখা ভোলায় মুক্তবুলি ম্যাগাজিনের প্রাণবন্ত সাহিত্য আড্ডা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সাহায্য করাও ইবাদত টার্মিনেটর খ্যাত সাবেক হলিউড সুপারস্টার আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার ভিয়েনায়
বিজ্ঞপ্তি
প্রিয় পাঠক আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম এই সাইটি নতুন ভাবে করা হয়েছে। তাই ১৫ই অক্টোবর ২০২০ সাল এর আগের নিউজ গুলো দেখতে ভিজিট করুন : old.bdnewseu24.com

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ

জাবেদ নুর শান্ত ঢাকা ( বাংলাদেশ)
আপডেট : বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন

বুয়েটের মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী তানভির আহামেদ সৈকত।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে তিনি এ সাক্ষ্য দেন।
এসময় আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। আদালত ১৫ নভেম্বর পরবর্তী জেরা ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন। মামলায় মোট ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জের ধরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন ।
ওই ঘটনায় নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে রাজধানীর চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।
অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত এজাহারবহির্ভূত ছয়জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আটজন।
গ্রেফতাররা হলেন, মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।
মামলার তিন আসামি এখনও পলাতক। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত আসামি।
১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।
সূত্র-সময় টভি
বিডিনিউজ ইউরোপ/১১নভেম্বর/বার্তা সম্পাদক


আরো বিভন্ন ধরণের নিউজ