• শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এক শতাব্দী পর নামাজের জন্য খুলেছে গ্রিসের ঐতিহাসিক মসজিদ ইয়েনি এবং সুলেমানিও জাপানের কানসাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাগরে ডুবে যাচ্ছে ধ্বংসাবশেষে ফিলিস্তিনিদের ঈদের নামাজ আদায় জলদস্যুদের কড়া পাহারায় নাবিকরা ঈদের নামাজ পড়েছেন জাহাজেই অভিন্ন রাজনৈতিক আশ্রয়-নীতির পথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন চরভদ্রাসনে অভিবাসী কর্মীদের একর্তীকরন ও সচেতনা মুলক সভা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ কলেজ কমিটি গঠন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন চরফ্যাশনে গুরতে আসা, দুই ভাইয়ের নানা বাড়িতে মৃত্যু ভোলায় নারী উদ্যোক্তাদের ঈদ মেলা ২০২৪ উদ্বোধন করলেন : আরিফুজ্জামান ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আমেরিকার মাটিতে বসবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর
বিজ্ঞপ্তি
প্রিয় পাঠক আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম এই সাইটি নতুন ভাবে করা হয়েছে। তাই ১৫ই অক্টোবর ২০২০ সাল এর আগের নিউজ গুলো দেখতে ভিজিট করুন : old.bdnewseu24.com

ককসবাজারের সাবেক এসপি মাসুদের জন্যে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশঃর‍্যাব

নিজাম উদ্দিন ন্যাশনাল ডেক্স
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০

টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি কারাবন্দি প্রদীপ কুমার দাসের ইয়াবা বাণিজ্যের কথা জেনে যাওয়ায় মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানকে হত্যা করা হয়। শুধু হত্যা নয় ; হত্যার পর বাহারছড়া ক্যাম্পের বরখাস্ত পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ বাকি আসামিদের নিয়ে মাদক উদ্ধারের নাটকও সাজান ওসি প্রদীপ। আর এসব জেনেও পূর্ব থেকেই ওসি প্রদীপ সম্পর্কে উদাসীন ছিলেন কক্সবাজার জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ। সিনহা হত্যার পর গণ বদলি হয়ে তিনি রাজশাহীর এসপি হিসেবে দায়িত্বে আছেন।

রোববার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ এ কথা বলেন।র‌্যাব কর্মকর্তা আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘ঘটনার পূর্ব থেকেই ওসি প্রদীপ সম্পর্কে উদাসীন ছিলেন কক্সবাজার জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ। এই ঘটনাটি ঘটার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন না করা। সিনহা রাশেদকে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করাসহ বেশ কিছু কারণে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তিনি অপেশাদারী আচরণ করেছেন বলে মনে করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য চার্জশিটে একটি সিদ্ধান্ত উপস্থাপনা করা হয়েছে।’

র‍্যাবের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘তদন্তকারী কর্মকর্তা চার্জশিটে উল্লেখ করেন— ঘটনার দিন রাতে নীলিমা রিসোর্টে অভিযান চালায় টেকনাফ থানা পুলিশ। পরবর্তীতে সেখান থেকে তারা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের ল্যাপটপ উদ্ধার করে। সেই ল্যাপটপ প্রথমে টেকনাফ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সাক্ষ্য প্রমাণ ও সাক্ষীর জবানবন্দি থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়, সিনহার ল্যাপটপে যে ডিজিটাল কনটেন্ট ছিল, সেগুলো তারা থানায় বসে ধ্বংস করে।’

‘ল্যাপটপে এমন কিছু ভিডিও ছিল—যা প্রদীপ ও লিয়াকতের অস্তিত্ব সংকটে ফেলতে পারে। আমরা ডিজিটাল ডকুমেন্ট অনেক কিছু উদ্ধার করতে পারলেও ওই ভিডিওগুলো উদ্ধার করতে পারিনি।’—বলেন র‍্যাবের মুখপাত্র আশিক বিল্লাহ।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মূলত দুটি কারণে ওসি প্রদীপ এই ঘটনাটি ঘটান। একটি হলো, ওসি প্রদীপের ইয়াবা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়। অপরটি, সিনহা এই তথ্য যেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানতে পারেন। হুমকির পরেও যখন মেজর সিনহা রাশেদ তাদের ইউটিউব চ্যনেলের কাজ ও ইয়াবা অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন, তখন ইন্সপেক্টর লিয়াকত ও ওসি প্রদীপসহ অন্যরা পরিকল্পনা করে এই ঘটনা ঘটান।’

র‍্যাবের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, জুলাই মাসের ৭ তারিখে মেজর অব. সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান, শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও রূপতি মিলে নীলিমা রিসোর্টে অবস্থান করেন। ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও ডকুমেন্টারি তৈরির জন্য তারা টেকনাফে গিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে রূপতি ফিরে আসে। সে সময় সেখানে বেশ কিছুদিন থাকার সময়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের আন্তরিকতা গড়ে ওঠে। তাদের কাছ থেকে ওসি প্রদীপের ইয়াবা বাণিজ্য নিয়ে নানা বিষয় জানতে পারেন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ। এ বিষয়ে সিনহা ক্যামেরাসহ ওসি প্রদীপের কাছে বক্তব্য নিতে যান। সে সময়ে ওসি প্রদীপ তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে যায়। বক্তব্যের পরিবর্তে তাদেরকে টেকনাফ ছেড়ে চলে যাবার জন্য সরাসরি হুমকি দেন।

বিডিনিউজ ইউরোপ /১৫ ডিসেম্বর / জই


আরো বিভন্ন ধরণের নিউজ