• বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শেনজেন ভিসা ফি ১২শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে জুলাই থেকে কার্যকর ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ৩ দেশের স্বীকৃতি তেহরানে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট রাইসির জানাজা পড়ালেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইমাম খামেনি শহরের কেন্দ্রস্থল এথেন্সের বাড়িতে আগুনে বৃদ্ধ ভাইবোন নিহত আগামীকাল বৃহস্পতিবার একাডেমিয়ার মিউনিসিপ্যালিটি মিউজিক থিয়েটারে লাইভ কনসার্ট হবে ভোলায় তিন উপজেলার নবনির্বাচিত তিন চেয়ারম্যান মালয়েশিয়ায় বিশেষ ব্যবস্থাপনায় কনস্যুলার সেবা প্রদানের উদ্যোগ হাইকমিশনের ঝালকাঠিতে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে উপজেলা নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে যারা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন রাইসির মৃত্যুতে বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার একদিনের শোক ঘোষণা
বিজ্ঞপ্তি
প্রিয় পাঠক আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম এই সাইটি নতুন ভাবে করা হয়েছে। তাই ১৫ই অক্টোবর ২০২০ সাল এর আগের নিউজ গুলো দেখতে ভিজিট করুন : old.bdnewseu24.com

এথেন্সের জাতীয় উদ্যান প্রকৃতি প্রেমিদের যেন তীর্থস্থান

মতিউর রহমান মুন্না, (এথেন্স) গ্রিস
আপডেট : বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২

এথেন্সের জাতীয় উদ্যান প্রকৃতি প্রেমিদের যেন তীর্থস্থান।সৌন্দর্যের লীলাভূমি এথেন্সের জাতীয় উদ্যান। প্রায় ৩৮ একর জায়গা নিয়ে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে কালের সাক্ষী হয়ে আছে রাজকীয় এ বাগান। গ্রিক সংসদ ভবনের পেছনে অবস্থিত উদ্যানটিতে রয়েছে বেশ কিছু প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ।এ ধ্বংসাবশেষ সমূহ যেন কালের সাক্ষী হয়ে রয়েছে। এক সময় গ্রিক কবিদের আস্তানা হিসেবেও ছিল বেশ পরিচিতি। বর্তমানে সবার জন্য উন্মুক্ত তাই শহরের কোলাহল আর যান্ত্রিক জীবন থেকে দূরে চিরসবুজের ছোঁয়া পেতে অনেকেই ঘুরতে যান এই উদ্যানটিতে।চারদিকে নীরব-নিস্তব্ধ একটি পরিবেশ। কোথাও নেই মানুষের হৈচৈ। প্রকৃতি যেন তার রূপ, রস ও সৌন্দর্য সবই ঢেলে দিয়েছে এথেন্স ন্যাশনাল গার্ডেনে। ইতিহাস বলছে, ১৮৩৮ সালে রয়্যাল গার্ডেন নামে এই উদ্যানটির যাত্রা হয়েছিল। গ্রিসের প্রথম রানি আমালিয়ার আদেশে তৈরি করা হয়েছিল এই উদ্যান।

জার্মান কৃষিবিদ ফ্রেডরিক শ্মিট এই বাগানে বৃক্ষ রোপণের জন্য দায়িত্বে ছিলেন। তখন প্রায় ৫০০টিরও বেশি প্রজাতির গাছ এবং ময়ুর, হাঁস এবং কচ্ছপসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর আমদানি করা হয়েছিল। সে সময় উদ্যানটি শুধু দুপুরে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল।
কথিত আছে রানি আমালিয়া প্রতিদিন প্রায় তিন ঘণ্টা সময় বাগানে কাটাতেন। তিনি হাঁটতেন এবং ব্যক্তিগতভাবে বাগানের যত্ন নিতেন। পরে ১৯৭৫ সালে গ্রিসে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পর উদ্যানটির নামকরণ করা হয় ন্যাশনাল গার্ডেন বা জাতীয় উদ্যান এবং এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এখন এটি সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খোলা থাকে।

জাতীয় উদ্যানটির ভেতরে রয়েছে সরু গোলকধাঁধা পথ। আছে কাঠের বেঞ্চ। যেখানে বসে অনেকই ডাইরি লেখালেখি করেন, কেউ আবার বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করেন, আড্ডা দেন। উদ্যানটিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি বন্য ছাগল, ময়ূর, মুরগি এবং অন্যান্য প্রাণীসহ একটি ছোট চিড়িয়াখানা।
রয়েছে একটি বোটানিক্যাল মিউজিয়াম ও একটি খেলার মাঠ। বিশেষ করে একটি পুকুরে পালন করা হয় হাস, আরেকটিতে কচ্ছপ। বর্তমানে বাগানে প্রায় ৭ হাজার গাছ এবং ৩০ হাজারের বেশি গুল্ম রয়েছে। এ যেন প্রকৃতি প্রেমীদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে এই জাতীয় উদ্যান।

বিডিনিউজ ইউরোপ২৪ডটকম/৯নভেম্বর/জই

 

 


আরো বিভন্ন ধরণের নিউজ