• শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এক শতাব্দী পর নামাজের জন্য খুলেছে গ্রিসের ঐতিহাসিক মসজিদ ইয়েনি এবং সুলেমানিও জাপানের কানসাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাগরে ডুবে যাচ্ছে ধ্বংসাবশেষে ফিলিস্তিনিদের ঈদের নামাজ আদায় জলদস্যুদের কড়া পাহারায় নাবিকরা ঈদের নামাজ পড়েছেন জাহাজেই অভিন্ন রাজনৈতিক আশ্রয়-নীতির পথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন চরভদ্রাসনে অভিবাসী কর্মীদের একর্তীকরন ও সচেতনা মুলক সভা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ কলেজ কমিটি গঠন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন চরফ্যাশনে গুরতে আসা, দুই ভাইয়ের নানা বাড়িতে মৃত্যু ভোলায় নারী উদ্যোক্তাদের ঈদ মেলা ২০২৪ উদ্বোধন করলেন : আরিফুজ্জামান ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আমেরিকার মাটিতে বসবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর
বিজ্ঞপ্তি
প্রিয় পাঠক আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম এই সাইটি নতুন ভাবে করা হয়েছে। তাই ১৫ই অক্টোবর ২০২০ সাল এর আগের নিউজ গুলো দেখতে ভিজিট করুন : old.bdnewseu24.com

মিস করছি প্রিয় ক্যাম্পাস ও বন্ধুদেরঃহিরা সুলতানা

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ জবি প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০

মিস করছি প্রিয় ক্যাম্পাস ও বন্ধুদের

পুরাণ ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব নাম জগন্নাথ কলেজ। বিংশ শতাব্দীর অধিকাংশ সময় জুড়ে এই নামেই পরিচিত ছিল। ১৮৫৮ সালে ঢাকা ব্রাক্ষ্ম স্কুল নামে এর প্রতিষ্ঠা হয়। বালিয়াটির জমিদার ১৮৭২ সালে এর নাম বদলে জগন্নাথ স্কুল নামকরণ করেন। ১৮৮৪ সালে এটি একটি দ্বিতীয় শ্রেণীর কলেজ এবং ১৯০৮ সালে প্রথম শ্রেণীর কলেজে পরিণত হয়। ২০০৫ সালে জাতীয় সংসদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫ পাশের মাধ্যমে একটি পুর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। ৭ একরের বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৬ টি বিভাগ ও ২ টি ইন্সিটিউট রয়েছ। এর মধ্যে ২১০০০ বর্গফুটের একটি বিভাগ রয়েছে যার নাম একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ। বিভাগটিতে সকাল ৮:৩০ থেকে ৩:৩০ পর্যন্ত ব্যস্ততা লেগে থাকত। কোনো ব্যাচ ক্লাস করতে ব্যস্ত থাকতো, কেউ কেউ আবার এসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন নিয়ে ব্যস্ত। বিভাগের সেমিনার সবসময় পরিপূর্ণ থাকতো শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে দিয়ে। একটু অবসর হলে শিক্ষার্থীরা চলে যেত ওপেন সেমিনারে। কেউ কেউ ওপেন সেমিনারে বসে গল্প করতো, আড্ডা দিত, আবার কেউ কেউ পড়াশোনা করতো। আড্ডা আর পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে নোটিশ বোর্ডের দিকে তাকাতো এটা দেখতে যে কোনো নোটিশ আছে কি না। ডিপার্টমেন্টের কম্পিউটার ল্যাবে সারাদিন ব্যস্ততা থাকতো কেউ বা কোনো দরকারি কাজে আবার কেউ বা কার্টুন দেখতো। ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি বিতর্ক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়েও ব্যস্ত থাকতো। সব শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৪ তম আবর্তনের বি সেকশনের শিক্ষার্থীরা মেতে থাকতো এক অন্যরকম আমেজে। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে আড্ডা, বন্ধুদের জন্মদিন পালন আরো কত কি! কিন্তু করোনা নামক কালো ছায়া তাদের সব আনন্দ বন্ধ করে দিয়েছে। এখন সবাই গৃহ বন্দি। সবাই অপেক্ষা করছে আবার কবে আনন্দের জোয়ারে ভাসবে!
লিখেছেন
হিরা সুলতানা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
বিডিনিউজ ইউরোপ/২৪ নভেম্বর/ জই


আরো বিভন্ন ধরণের নিউজ