• সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠি এলজিইডি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে উপজেলা প্রকৌশলীদের কর্ম-সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর তুরস্ক আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে: গ্রিক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গ্রিসে মাইকোনোস দ্বীপের বাড়ির দামের শীর্ষে রয়েছে এথেন্সের আইকনিক হিলটন হোটেলের নাম পরিবর্তন করে ‘দ্য ইলিসিয়ান’ করা হয়েছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গবেষণায় আকর্ষণ বাড়াতে হবে ভোলার বোরহানউদ্দিনে ১৩ জন জুয়ারী আটক কোরআন মজিদের ৪০ আয়াতে আল্লাহ-ও রাসুলের নাম একসাথে পাশাপাশি লিখা ভোলায় মুক্তবুলি ম্যাগাজিনের প্রাণবন্ত সাহিত্য আড্ডা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সাহায্য করাও ইবাদত টার্মিনেটর খ্যাত সাবেক হলিউড সুপারস্টার আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার ভিয়েনায়
বিজ্ঞপ্তি
প্রিয় পাঠক আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম এই সাইটি নতুন ভাবে করা হয়েছে। তাই ১৫ই অক্টোবর ২০২০ সাল এর আগের নিউজ গুলো দেখতে ভিজিট করুন : old.bdnewseu24.com

ভাঙ্গা টিনের চালায় আতঙ্কে রাত কাটে ফাতেমার

মিজানুর রহমান লালমনিরহাট প্রতিনিধি
আপডেট : শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১

ভাঙ্গা টিনের চালায় আতঙ্কে রাত কাটে ফাতেমার

ফাতেমা বেগম। বয়স ৪০ ছুঁই ছুঁই করছে। নিজের আছে আড়াই শতক জমি। তবে বসবাস উপযোগী ঘর নেই। আছে একটি ভাঙা ছাপড়া টিনের চালা। এই চালায় শুয়ে রাতে আকাশের তারার ছোটাছুটি দেখা যায়। কখন যে ঝড়-তুফান আসে, এমন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত পোহাতে হয় ফাতেমার। ফাতেমা বেগম লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ দলগ্রাম হাজীপাড়া গ্রামের মৃত সামছুল হকের স্ত্রী।

জানা যায়, ফাতেমা বেগমের স্বামী সামছুল হক দুই বছর আগে মারা গেছে। তিন মেয়েকে নিয়ে ফাতেমা বেগমের সংসার। স্বামী সামছুল হকের মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে অন্যের বাড়িতে শ্রম বিক্রি করে দিনযাপন করেন ফাতেমা বেগম। সারাদিন হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে সন্ধ্যায় ফিরে আসেন নিজ বাড়িতে। বাড়ি তো নয়, যেন ঝোপের মধ্যে বসবাস। চারদিকে ঝাউ-জঙ্গলের মাঝে ভাঙা একটি ছাপড়াঘরেই চরম আতঙ্কে রাত কাটে তার। কখন যে বৃষ্টি-বাতাস আসে, এমন ভয়ে নির্ঘুম রাত পোহাতে হয় ফাতেমার। জীবন যুদ্ধে বেঁচে থাকতে সারাদিন পরিশ্রম করার পর রাতে একটু ভালোভাবে ঘুমাবে তারও উপায় নেই। কারণ বৃষ্টি হলেই পানিতে ভরে যায় তার বিছানাপত্র। তবুও জীবনযুদ্ধে বেঁচে থাকার তাগিদে জরাজীর্ণ ভাঙা ঘরের বিছানায় রাতভর ছটফট করতে হয় ফাতেমাকে।

স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই ভাঙা ঘরেই প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে আছেন তারা। মুজিববর্ষের একটি ঘর দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।

ফাতেমা বেগম বলেন, পেটের তাগিদে সারাদিন অপরের বাড়িতে পরিশ্রম শেষে ঘরে এসে আরামে ঘুমাব তাও পারি না। কখন যে ঝড়-বাতাসে ঘরটি ভেঙে পড়ে এ জন্য রাত জেগে থাকতে হয়। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি মুজিববর্ষের ঘর পাওয়ার আকুতি করছি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ফেরদৌস আহমেদ জানান, ফাতেমা বেগমের বিষয়ে চেষ্টা করা হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রবিউল হাসান বলেন, ফাতেমা বেগমের খোঁজখবর নিয়ে তাকে সহযোগিতা করা হবে।
বিডিনিউজ ইউরোপ /৯ জানুয়ারি / জই


আরো বিভন্ন ধরণের নিউজ